উত্তরা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা গোলাম ফারুক: “সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত উন্নয়নমুখী সমাজ চাই”
উত্তরা, ঢাকা:
বিএনপির সাবেক নেতা এবং বৃহত্তর উত্তরা স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত গোলাম ফারুক বলেছেন, তিনি ছাত্রজীবন থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি Ziaur Rahman-এর আদর্শ লালন করে রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি নিজেকে “ত্যাগী ও জনগণের জন্য নিবেদিত রাজনীতিক” হিসেবে উল্লেখ করেন।
গোলাম ফারুক জানান, তিনি স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং আবুজাফর গিফারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে বিসিকে কর্মরত থাকাকালীন শ্রমিক রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি টঙ্গী বিসিক এলাকায় সিবিএ (CBA) শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও জানান।
তিনি একসময় ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি আর্মি সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমানেও কর্মরত রয়েছেন।এছাড়াও বৃহত্তর উত্তরা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
গোলাম ফারুক বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করে আসছেন। তার লক্ষ্য এমন একটি সমাজ গঠন করা যেখানে সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবসার কোনো স্থান থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যেন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির চর্চা করে—এটাই তার প্রত্যাশা।
এ প্রসঙ্গে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যেন প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা করে।
উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে তার রাজনৈতিক লক্ষ্য ও উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক খামার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বন্ধ হয়ে যাওয়া মিল ও ফ্যাক্টরি পুনরায় চালু করা, দুধ ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন
তিনি বলেন, এসব বাস্তবায়নে “জিরো টলারেন্স নীতি” গ্রহণ করে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চান।
গোলাম ফারুক জানান, তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং মাদক থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখাকে নিজের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে দেখেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন রাজপথে থাকা ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত।#
বিষয় : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ডিএসসিসি প্রশাসক, আবদুস সালাম, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, শাহবাগ থানা বিএনপি, ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, সচেতনতা, ঢাকা, Dhaka South City Corporation, DSCC Administrator, Abdus Salam, Tree Plantation Campaign, Shahbagh Thana BNP, Clean City Green City, Dengue Prevention, Awareness, Dhaka সন্ত্রাস-চাঁদাবাজিমুক্ত উন্নয়নমুখী রাজনীতি চাই-গোলাম ফারুক গোলাম ফারুক বিএনপি নিউজ

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
উত্তরা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা গোলাম ফারুক: “সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত উন্নয়নমুখী সমাজ চাই”
উত্তরা, ঢাকা:
বিএনপির সাবেক নেতা এবং বৃহত্তর উত্তরা স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত গোলাম ফারুক বলেছেন, তিনি ছাত্রজীবন থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি Ziaur Rahman-এর আদর্শ লালন করে রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি নিজেকে “ত্যাগী ও জনগণের জন্য নিবেদিত রাজনীতিক” হিসেবে উল্লেখ করেন।
গোলাম ফারুক জানান, তিনি স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং আবুজাফর গিফারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে বিসিকে কর্মরত থাকাকালীন শ্রমিক রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি টঙ্গী বিসিক এলাকায় সিবিএ (CBA) শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও জানান।
তিনি একসময় ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি আর্মি সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমানেও কর্মরত রয়েছেন।এছাড়াও বৃহত্তর উত্তরা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
গোলাম ফারুক বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করে আসছেন। তার লক্ষ্য এমন একটি সমাজ গঠন করা যেখানে সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবসার কোনো স্থান থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যেন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির চর্চা করে—এটাই তার প্রত্যাশা।
এ প্রসঙ্গে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যেন প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা করে।
উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে তার রাজনৈতিক লক্ষ্য ও উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক খামার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বন্ধ হয়ে যাওয়া মিল ও ফ্যাক্টরি পুনরায় চালু করা, দুধ ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন
তিনি বলেন, এসব বাস্তবায়নে “জিরো টলারেন্স নীতি” গ্রহণ করে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চান।
গোলাম ফারুক জানান, তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং মাদক থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখাকে নিজের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে দেখেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন রাজপথে থাকা ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত।#

আপনার মতামত লিখুন