মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালীতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্যোগে বাউল গানের আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
গত শনিবার (৩০ মে) দিনব্যাপী বাড়ৈখালী সেবক সংঘ ক্লাব মাঠে শাহ কামাল শাহ মাজার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বাউল গানের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাজার কমিটির সভাপতি ও বাড়ৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান) হাজী মো. সেলিম তালুকদার এবং মাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হক সেন্টু মেম্বারের উদ্যোগে এই গানের আসরটি বসে। শোকের এই দিনে এমন আয়োজনের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়।
আহসান আল উজ্জ্বল (সাধারণ সম্পাদক, সেবক সংঘ ক্লাব):
"ক্লাবের মাঠটিতে প্রতি বছরই মাজারের গানের আসর বসে, এর জন্য আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া, শনিবার সকালেই আমি নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকায় গিয়েছিলাম, তাই মাঠের এই আয়োজনের বিষয়টি আমার জানা ছিল না।"
হাজী মো. সেলিম তালুকদার (সভাপতি, মাজার কমিটি ও আ.লীগ নেতা):
"শনিবার গানের আসরে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, যুবদলের সভাপতি বাবুল উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কেউই তৎকালীন সময়ে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর বিষয়টি উল্লেখ করেননি। আগে জানালে আমরা গানের পরিবর্তে দোয়া-মোনাজাতের ব্যবস্থা করতাম। বিষয়টি আমাদের ভুল হয়েছে।"
আব্দুল মান্নান (সভাপতি, বাড়ৈখালী ইউনিয়ন বিএনপি), এবং বিএনপি নেতা হাফিজ উভয় প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন।
"আমি প্রথম দিকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। তবে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর মতো একটি শোকাবহ দিনে এমন আয়োজনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালীতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্যোগে বাউল গানের আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
গত শনিবার (৩০ মে) দিনব্যাপী বাড়ৈখালী সেবক সংঘ ক্লাব মাঠে শাহ কামাল শাহ মাজার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বাউল গানের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাজার কমিটির সভাপতি ও বাড়ৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান) হাজী মো. সেলিম তালুকদার এবং মাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হক সেন্টু মেম্বারের উদ্যোগে এই গানের আসরটি বসে। শোকের এই দিনে এমন আয়োজনের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়।
আহসান আল উজ্জ্বল (সাধারণ সম্পাদক, সেবক সংঘ ক্লাব):
"ক্লাবের মাঠটিতে প্রতি বছরই মাজারের গানের আসর বসে, এর জন্য আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া, শনিবার সকালেই আমি নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকায় গিয়েছিলাম, তাই মাঠের এই আয়োজনের বিষয়টি আমার জানা ছিল না।"
হাজী মো. সেলিম তালুকদার (সভাপতি, মাজার কমিটি ও আ.লীগ নেতা):
"শনিবার গানের আসরে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, যুবদলের সভাপতি বাবুল উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কেউই তৎকালীন সময়ে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর বিষয়টি উল্লেখ করেননি। আগে জানালে আমরা গানের পরিবর্তে দোয়া-মোনাজাতের ব্যবস্থা করতাম। বিষয়টি আমাদের ভুল হয়েছে।"
আব্দুল মান্নান (সভাপতি, বাড়ৈখালী ইউনিয়ন বিএনপি), এবং বিএনপি নেতা হাফিজ উভয় প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন।
"আমি প্রথম দিকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। তবে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর মতো একটি শোকাবহ দিনে এমন আয়োজনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"

আপনার মতামত লিখুন