যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বেশ কিছু নারী, পুরুষ ও শিশুকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার (২ জুন) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সীমান্তে অবৈধভাবে নাগরিকদের বাংলাদেশি পরিচয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ভারতীয় নীতি অত্যন্ত নিন্দনীয়। নাগরিকদের পরিচয় শনাক্ত করে কূটনৈতিক চ্যানেলে সমস্যার সমাধান না করে ভারতের এমন ‘পুশইন’ নীতি অবলম্বন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি সীমান্তকে অস্থিতিশীল, নিরাপত্তাহীন ও উদ্বেগপূর্ণ করে তুলেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ৩১ মে দিবাগত রাতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের উত্তরে সাদিপুর খড়ের মাঠ সীমান্ত এলাকায় পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর অবস্থানের কারণে বিএসএফের সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে নারী ও শিশুসহ আট থেকে ১০ জন ভারতীয় নাগরিক ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখায় (জিরো লাইন) অবস্থান করছে। অবিলম্বে এসব নাগরিকদের ভারতে ফিরিয়ে নিতে এবং ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান।
দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় তাদের ধন্যবাদ জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। একই সঙ্গে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
“কূটনৈতিক চ্যানেলে ভারতীয় বাহিনীর এই ‘পুশইন’ অপচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ না করায় আমি বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্রনীতির নিন্দা জানাচ্ছি।”
ভবিষ্যতে যে-কোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ রোধ ও নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি এই সমস্যা সমাধানে সরকারকে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বেশ কিছু নারী, পুরুষ ও শিশুকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার (২ জুন) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সীমান্তে অবৈধভাবে নাগরিকদের বাংলাদেশি পরিচয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ভারতীয় নীতি অত্যন্ত নিন্দনীয়। নাগরিকদের পরিচয় শনাক্ত করে কূটনৈতিক চ্যানেলে সমস্যার সমাধান না করে ভারতের এমন ‘পুশইন’ নীতি অবলম্বন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি সীমান্তকে অস্থিতিশীল, নিরাপত্তাহীন ও উদ্বেগপূর্ণ করে তুলেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ৩১ মে দিবাগত রাতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের উত্তরে সাদিপুর খড়ের মাঠ সীমান্ত এলাকায় পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর অবস্থানের কারণে বিএসএফের সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে নারী ও শিশুসহ আট থেকে ১০ জন ভারতীয় নাগরিক ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখায় (জিরো লাইন) অবস্থান করছে। অবিলম্বে এসব নাগরিকদের ভারতে ফিরিয়ে নিতে এবং ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান।
দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় তাদের ধন্যবাদ জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। একই সঙ্গে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
“কূটনৈতিক চ্যানেলে ভারতীয় বাহিনীর এই ‘পুশইন’ অপচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ না করায় আমি বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্রনীতির নিন্দা জানাচ্ছি।”
ভবিষ্যতে যে-কোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ রোধ ও নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি এই সমস্যা সমাধানে সরকারকে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।

আপনার মতামত লিখুন