প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল বলেছেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য সর্বনিম্ন সম্পদ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ফলাফল পাওয়া এবং জনগণের কল্যাণ সাধন করা। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
আজ রবিবার (৭ জুন) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সিগনেচার কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি সংক্রান্ত এই সভার আয়োজন করে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়।
ড. এস এম আব্দুল আওয়াল তার বক্তব্যে বলেন, "শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচির অন্যতম দফা ছিল গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতির উন্নয়ন করা। খাল খনন কর্মসূচি, তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), রেমিট্যান্স, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সহ অসংখ্য সিগনেচার প্রোগ্রামের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছেন।
আর প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু এবং বিনামূল্যে নারী শিক্ষা প্রসারের ফলে দেশের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে।"
তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের প্রকৃত অবস্থা অবলোকন করার জন্যই আজকের এ আয়োজন। আমরা মৌলিক জায়গাগুলোতে নজর দিয়েছি যাতে জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা যায়। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের সিগনেচার প্রোগ্রামের কাজগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।
সভায় জানানো হয়, 'সবার আগে বাংলাদেশ' প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে বিভিন্ন সিগনেচার প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম, উদ্যোক্তা তৈরি, আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, মহিলাদের স্বাবলম্বীকরণ, ডিজিটাল আসক্তি এড়িয়ে স্কুল-কলেজগামী ছেলেমেয়েদের খেলাধুলায় মনোনিবেশ করানো, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
এছাড়া অর্থনীতির প্রধান দুই চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্সের পাশাপাশি কৃষিপণ্য, চামড়া ও ইলেকট্রনিকস পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণে কাজ চলছে।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. কামরুল হাসান এবং বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।
এছাড়া ময়মনসিংহের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ সভায় অংশ নেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল বলেছেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য সর্বনিম্ন সম্পদ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ফলাফল পাওয়া এবং জনগণের কল্যাণ সাধন করা। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
আজ রবিবার (৭ জুন) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সিগনেচার কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি সংক্রান্ত এই সভার আয়োজন করে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়।
ড. এস এম আব্দুল আওয়াল তার বক্তব্যে বলেন, "শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচির অন্যতম দফা ছিল গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতির উন্নয়ন করা। খাল খনন কর্মসূচি, তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), রেমিট্যান্স, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সহ অসংখ্য সিগনেচার প্রোগ্রামের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছেন।
আর প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু এবং বিনামূল্যে নারী শিক্ষা প্রসারের ফলে দেশের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে।"
তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের প্রকৃত অবস্থা অবলোকন করার জন্যই আজকের এ আয়োজন। আমরা মৌলিক জায়গাগুলোতে নজর দিয়েছি যাতে জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা যায়। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের সিগনেচার প্রোগ্রামের কাজগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।
সভায় জানানো হয়, 'সবার আগে বাংলাদেশ' প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে বিভিন্ন সিগনেচার প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম, উদ্যোক্তা তৈরি, আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, মহিলাদের স্বাবলম্বীকরণ, ডিজিটাল আসক্তি এড়িয়ে স্কুল-কলেজগামী ছেলেমেয়েদের খেলাধুলায় মনোনিবেশ করানো, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
এছাড়া অর্থনীতির প্রধান দুই চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্সের পাশাপাশি কৃষিপণ্য, চামড়া ও ইলেকট্রনিকস পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণে কাজ চলছে।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. কামরুল হাসান এবং বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।
এছাড়া ময়মনসিংহের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ সভায় অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন